Blog

Knowledge Management Forum (KMF)
About KMF
Knowledge Management Forum (KMF) is an in-house platform of professionals associated with Dhaka Ahsania Mission (DAM) for mutual sharing of knowledge, information and experience on development issues.

KMF is aimed at professional development of DAM staff members through reflection on new knowledge and exchange of views on the information floated in the forum by the participants.

Knowledge is promoted in KMF through exchange of information and interpretation of experiences. New knowledge guides one to make choice from many alternatives and find the desired direction.

At the organizational level new knowledge helps DAM team members to enhance their capacity and efficiency contributing to increased effectiveness of interventions to achieve the goals.

Knowledge management strategies facilitate practices to identify, create, store, share and disseminate insights and experiences gained over years from within and outside the organization.
KMF Process
KMF is an open forum where anybody associated with DAM can join and share newly acquired knowledge for enriching others.

KMF meets regularly on 1st day of every month with voluntary participation of DAM staffs from all divisions, units, projects and institutions and associates who have interest to exchange knowledge and to learn from others.

In each monthly session a pre-designated speaker volunteers to make a presentation on a specific development topic. After the preservation, open discussion takes place on the issue among the forum members.

All presentation materials off KMF are uploaded in DAM website KMF window to facilitate others to access it.

The Research Division of DAM takes the organizing role of KMF sessions and uploading the presentation materials in the DAM website.

You are welcome to join and share your ideas by making a presentation or sharing insights through discussion.
Contact person
Md. Sofiqul Islam,
DAM Resource Centre cum Library ,
Training and Material Development Division.
Email: sofique@ahsaniamission.org.bd

Presentation Summary
Learners' Competency based assessment in Primary Education: Practice & Challenges (প্রাথমিক শিক্ষায় শিক্ষার্থীর যোগ্যতা ভিত্তিক মূল্যায়ন: চর্চা ও চ্যলেঞ্জ)

মূল্যায়ন  শিক্ষা ব্যবস্থার একটি অপরিহার্য অঙ্গ। সঠিক মূল্যায়নের অভাবে শিক্ষার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ব্যর্থ হতে পারে। শিক্ষা ক্ষেত্রে মূল্যায়ন শুধুই পরীক্ষা ও পরিমাপ নয়। এটি শিক্ষা বিষয়ক সকল কাজের সঙ্গেই সমন্বিত বা সকল কাজের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। শিশু কী জানে, কী বুঝে এবং কতটুকু করতে পারে তা নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ করা, তথ্য সংগ্রহ করা এবং তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ  ও শিখন কাজ পরিচালনা করা - এ সব কাজকে একত্রে মূল্যায়ন বলা হয়।

শ্রেণিভিত্তিক অর্জন উপযোগী যোগ্যতা অনুযায়ী প্রশ্নপত্র তৈরি করে মূল্যায়ন গ্রহণ করাই হলো যোগ্যতা ভিত্তিক মূল্যায়ন। প্রাথমিক শিক্ষায় ১ম থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত মোট ২৯টি প্রান্তিক যোগ্যতার আলোকে প্রতিটি শ্রেণিতে বিষয় ভিত্তিক অর্জন উপযোগী যোগ্যতা নির্ধারণ করেছে। এই অর্জন উপযোগী যোগ্যতাকে আয়ত্ব করে প্রতিটি শিশু প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করবে। যোগ্যতা হলো- শিখন শিক্ষণ কাজের মধ্য দিয়ে কোনো জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গি পরিপূর্ণভাবে অর্জন করার পর শিশু বাস্তব জীবনে তা কাজে লাগাতে পারা। শিশুরা এ অর্জন উপযোগী যোগ্যতার কতটুকু অর্জন করতে পারছে তা পরিমাপ করার জন্য  প্রয়োজন যোগ্যতা ভিত্তিক মূল্যায়ন।

প্রাথমিক শিক্ষার লক্ষ্য হচ্ছে -শিশুর শারীরিক, মানসিক, সামাজিক, নৈতিক, মানবিক, নান্দনিক, আধ্যাত্মিক ও আবেগিক বিকাশ সাধন করা এবং তাদের দেশাত্ববোধে, বিজ্ঞানমনস্কতায়, সৃজনশীলতায় ও উন্নত জীবনের স্বপ্নদর্শনে উদ্বুদ্ধ করা। এ লক্ষ্যকে সমনে রেখে ১৩টি উদ্দেশ্য ও ২৯টি প্রন্তিক যোগ্যতা নির্ধারিত হয়েছে। এর আলোকে প্রণীত হয়েছে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক। শিখনের তিনটি ক্ষেত্র বা Learning Domain হলো- জ্ঞানমূলক ক্ষেত্র বা Cognitive Domain, আবেগিক ও সামাজিক ক্ষেত্র বা Affective  Domain, মনোপেশীজ ক্ষেত্র বা Psychomotor  Domain। এই তিনটি ক্ষেত্রের  সকল বিষয়সমূহ অন্তর্ভূক্ত রয়েছে প্রন্তিক যোগ্যতায় ও  পাঠ্যপুস্তকে  যা শিশুর সকল প্রকার বিকাশ সাধনে সহায়ক।

প্রাথমিক শিক্ষায়  বর্তমান মূল্যায়ন চিত্র:
শ্রেণিকক্ষে পাঠ্যপুস্তক অনুসরণ করে শিশুকে পাঠদান করা হয় । এই পাঠ্যপুস্তকের উপর ভিত্তি করেই শিক্ষার্থীর শিখনের মূল্যায়ন করা হয়। অথচ প্রচলিত মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় সাধারণত জ্ঞানমূলক বিষয়ের উপর ভিত্তি করে শিখনের যাচাই করা হচ্ছে । এখানে শিশুর সামাজিক ও আবেগিক বিষয়গুলোর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে না। এতে শিক্ষার্থীর শিখনের আংশিক যাচাই হচ্ছে অর্থাৎ অর্জন উপযোগী যোগ্যতার আংশিক যাচাই হচ্ছে। অর্জন উপযোগী যোগ্যতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো শিশুর সামাজিক ও আবেগিক উৎকর্ষতার বিকাশ যা মূল্যায়নের বাইরে রয়ে যাচ্ছে। বর্তমান মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় সামাজিক ও আবেগিক উৎকর্ষতার মূল্যায়ন করা বা রেকর্ড রাখার তেমন কোনো সুযোগ নেই বললেই চলে। ফলে শিক্ষার্থীর এই যোগ্যতা অর্জনে কোথাও ঘাটতি রয়ে যাচ্ছে কিনা তা বোঝার কোনো সুযোগ নেই।

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি(নেপ) এর -২০১৬ এর প্রশ্নপত্রের কাঠামো ও নম্বর বিভাজন নীতিমালায় উল্লেখ আছে যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্ন হবে ৬৫% এবং Traditional প্রশ্ন হবে ৩৫%। এখানে সৃজনশীল প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর জানা বোঝার বিষয়টি শুধূ মাত্র লিখিতভাবে মূল্যায়ন করা হয় এবং এটি শুধূ জ্ঞানমূলক বিষয়ের উপর ভিত্তি করে করা হয় । এখানে ০৪টি দক্ষতা-শোনা বলা পড়া লেখার মধ্যে শুধূ একটি দক্ষতা লেখার মাধ্যমে মূল্যায়ন হয়।

অন্যদিকে সামাজিক ও আবেগিক  দক্ষতাগুলোতে বা Non Cognitive skill গুলোতে শিশুর ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও আচরণিক পরিবর্তনের কোনো তারতম্য পরিলক্ষিত হচ্ছে কিনা তা বুঝার বা যাচাই করার সুযোগ নেই।

যোগ্যতা ভিত্তিক মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তা:
একটি শিশু ভালোভাবে পড়তে ও লিখতে পারলেই তাকে মানসম্মত শিক্ষা বলা যায় না। শিশুর পরিপূর্ণ মানসিক বিকাশ গঠনের বিষয়গুলো অর্থাৎ Non Cognitive skill গুলো মানসম্মত শিক্ষার অন্তর্ভূক্ত। Non Cognitive skill গুলোই শিক্ষার্থীকে একজন আদর্শ, ব্যক্তিত্বসম্পন্ন নৈতিক মানুষ হিসাবে গড়ে তুলতে সহায়ক। ভবিষ্যৎ শিক্ষিত জাতি গঠনের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত  প্রয়োজন। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতের জন্য প্রয়োজন সকল  শিখন ক্ষেত্র বা Learning Domain কে মূল্যায়নে  অন্তর্ভূক্ত করে যোগ্যতাভিত্তিক মূল্যায়ন গ্রহণ করা। আমরা জানি অর্জন উপযোগী যোগ্যতায় শিখনের সকল ক্ষেত্র অন্তর্ভূক্ত। যোগ্যতা ভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতিতে শ্রেণিভিত্তিক অর্জন উপযোগী যোগ্যতার প্রতিটি ক্ষেত্রকে ধরেই মূল্যায়ন করা হয়। তাই শিশুর সামগ্রীক বিকাশ সাধনে সহায়তা করার জন্য প্রয়োজন যোগ্যতা ভিত্তিক মূল্যায়ন । যোগ্যতাভিত্তিক  মূল্যায়নের  উপর গুরুত্ব দিলে শিক্ষকও  পাঠ উপস্থাপনে গুরুত ¡দিবে।
শিক্ষা  আইন ২০১৬ (খসড়া) তে উল্লেখ আছে  “শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ, শিক্ষকের আচরণ এবং শিখন প্রক্রিয়া যাহাতে শিশুর শারীরিক, মানসিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশের সহায়ক হয়, তাহা নিশ্চিত করা।” সুতরাং শিখন প্রক্রিয়াকে শিশুর শারীরিক, মানসিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশের সহায়ক করতে হলে যোগ্যতাভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতি বাস্তবায়ন করা প্রয়োজ

ডাম মাল্টিগ্রেডে যোগত্যাভিত্তিক মূল্যায়ন:
ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন মাল্টিগ্রেড শিখন শিক্ষণ এ্যপ্রোচে বাস্তবায়িত উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রমে যোগ্যতা ভিত্তিক মূল্যায়ন বাস্তবায়ন করছে। ডাম মাল্টিগ্রেড শিখন শিক্ষণ এ্যপ্রোচটিই শিক্ষার্থীর যোগ্যতা ভিত্তিক। ইউনিক প্রকল্পে চার ধরনের মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের যাচাই করা হয়ে থাকে। চার ধরনের মূল্যায়ন: প্রারম্ভিক দক্ষতা যাচাই, দৈনিক মূল্যায়ন, চলমান মূল্যায়ন মাসিক মূল্যায়ন। শ্রেণিভিত্তিক অর্জন উপযোগী যোগ্যতার জ্ঞানমূলক বিষয় বা Cognitive skill গুলোর পাশপাশি শিশুর  সামাজিক ও আবেগিক উৎকর্ষতার বিষয়গুলো অর্থাৎ Non Cognitive skill গুলো এ সকল মূল্যায়নের মাধ্যমে করা হয়।

প্রারম্ভিক দক্ষতা যাচাই:শিক্ষা কার্যক্রমে ভর্তির পরপরই  শিক্ষার্থীর বর্তমান দক্ষতার স্তর বোঝার জন্য নির্দিষ্ট যোগ্যতা ভিত্তিক প্রশ্নপত্র ব্যবহার করে এ মূল্যায়ন নেয়া হয়। দৈনিক মূল্যায়ন: দৈনিক মূল্যায়ন দুইভাবে হয়।  পূর্বজ্ঞান যাচাই -  শিক্ষার্থীরা পূর্ব দিনের  শেখা বিষয় কতটুকু বুঝতে পেরেছে তা যাচাই এর জন্য এই মূল্যায়ন  হয়। দিনের শিখন মূল্যায়ন- শিক্ষার্থীরা ঐ দিনের শেখা বিষয় কতটুকু আয়ত্ত করতে পারলো তা বোঝার জন্য এ মূল্যায়ন  হয়। চলমান মূল্যায়ন: ক্লাস চলাকালীন সময় ক্লাস রুমের ভিতর শিশুর আচরণ, কাজ ও শিখনের যে সার্বক্ষণিক মূল্যায়ন শিক্ষক ও শিশুরা পরস্পরের করে তা চলমান মূল্যায়ন। মাসিক মূল্যায়ন:  এনসিটিবি নির্ধারিত শ্রেণি ও বিষয় ভিত্তিক যোগ্যতা বা Core competency শিক্ষার্থীর অর্জন হচ্ছে কিনা তা যাচাইয়ের জন্য যোগ্যতা ভিত্তিক প্রশ্নপত্র দিয়ে মাসিক মূল্যায়ন হয় ।  

এনসিটিবি নির্ধারিত শ্রেণিভিত্তিক অর্জন উপযোগী যোগ্যতাকে ধরে যোগ্যতাভিত্তিক  প্রশ্নপত্র তৈরি করে জ্ঞানমূলক দক্ষতা বা Cognitive skill গুলোর মূল্যায়ন করা হয়। শোনা বলা পড়া লেখা এ ৪টি দক্ষতার উপর ভিত্তি করে প্রশ্নপত্রে ৩িন ধরনের মৌখিক, লিখিত ও পর্যবেক্ষণমূলক কাজ দেয়া হয়। মূল্যায়নে শিক্ষার্থীর শিখনের অবস্থান নম্বর এর ভিত্তিতে  র্নিণয় না করে যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্ণয় করা হয়।  শিক্ষার্থীর   সামাজিক ও আবেগিক দক্ষতাগুলো পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হয়  এবং রেকর্ড সংরক্ষণ করা হয়। আবেগিক ও সামাজিক দক্ষতাগুলোকে কেন্দ্র করে শিক্ষক সংশ্লিষ্ট পাঠভিত্তিক কিছু কাজ নির্বাচন করে শিক্ষার্থীদের করান। মাল্টিগ্রেড শিখন-শিক্ষণ প্রক্রিয়ায় প্রজেক্ট, পর্যবেক্ষণ, পরিবীক্ষণ, অনুসন্ধান,মাঠপরিদর্শন ইত্যাদি কৌশলগুলোতে শিক্ষার্থীর সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিশুর সামাজিক ও আবেগিক বিষয়গুলোতে উদ্বুদ্ধ করা হয় । মাল্টিগ্রেড শিখন-শিক্ষণ প্রক্রিয়ায় দলীয় কাজের মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতা, অন্যের মতামতকে প্রাধান্য দেয়া বড়দের সম্মান, ছোটদের ¯েœহ করা, দলনেতার নেতৃত্বের বিষয়গুলো নিশ্চিত হয়। স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা,গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ  শিশু শিখন কেন্দ্রে এসে মুক্তিযুদ্ধ, নিজস্ব ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, প্রচলিত রিতীনীতি, আচার-অনুষ্ঠান নিয়ে গল্প বলেন বৃহস্পতিবার গল্প বলার ক্লাসের মাধ্যমে শিশুর সামাজিক ও আবেগিক বিষয়গুলোতে উদ্বুদ্ধ করা হয়।

সাধারনত আমরা দেখতে পাই বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসগুলোতে বেশিরভাগ স্কুল বন্ধ থাকে। শিক্ষার্থীরা পাঠ্য বই পড়ে ও শুনে এ দিবসগুলো সম্পর্কে জেনে থাকে। আর ইউনিক-২ প্রকল্পের শিক্ষা কার্যক্রমের প্রতিটি শিশু শিখন কেন্দ্রে  এ সকল দিবস শিশুরা শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকাবাসির সহযোগিতায় উদ্যাপন করে থাকে। এর ফলে শিক্ষক যেমন পাঠ উপস্থাপনে ও শ্রেণি পরিচালনায় বিষয়গুলোর প্রতি গুরুত্ব দিতে পারছেন তেমনি ক্লাসরুমের বাইরে অভিভাবক ও কমিউনিটিকেও এ বিষয়গুলোতে সম্পৃক্ত করতে পারছেন। শিক্ষক প্রতিমাসে উল্লেখিত এ সকল কাজগুলোর মাধ্যমে শিশুর আচরণিক ও সামাজিক দক্ষতাগুলোতে কী পরিবর্তন হচ্ছে তা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে লার্নার প্রোফাইলে উল্লেখিত ইনডিকেটর অনুযায়ী  গ্রেডিং করে থাকেন। 

চ্যালেঞ্জ:

  • মানসম্মত যোগ্যতা ভিত্তিক প্রশ্নপত্র তৈরি
  • ৩০ জনের বেশি শিক্ষার্থী হলে  Non Cognitive skill গুলো গ্রেডিং করা ও পর্যবেক্ষণ করা।
  • যোগ্যতা অনুযায়ী শিক্ষার্থীকে যাচাই করা।
  • সকল শিক্ষার্থীকে সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা।
  • দক্ষ শিক্ষক এর অভাব।

বর্তমান যুব সমাজের মধ্যে যে মানসিক অস্থিরতা ও নৈতিক অবক্ষয়ের প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে তা থেকে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মুক্ত করতে হলে বিদ্যালয় থেকেই সহমর্মিতা, সহানুভুতি, মূল্যবোধ, পরমতসহিষ্ণুতা, নৈতিকতা, দেশাত্ববোধ, কর্তব্যনিষ্ঠা, দায়িত্বশীলতা ইত্যাদি বিষয়গুলো  যাতে শিশুর মনে ও অনুভূতিতে জাগ্রত হয় এবং শিশুর আবেগ তৈরিতে সহায়ক হয় তার উপর গুরুত্ব দিতে হবে।

আমরা জানি একজন শিশু শেখে তার পরিবার থেকে, বিদ্যালয় থেকে এবং সমাজ থেকে। তাই প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রমে যোগ্যতাভিত্তিক মূল্যায়ন বাস্তবায়ন করলে আমরা একটি সুষ্ঠ সমাজ গঠনের বীজ বপন করতে পারবো যারা আমাদের আগামী দিনের ভবিষ্যৎ।

মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়িত যোগ্যতাভিত্তিক মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার অভিজ্ঞতা এখানে তুলে ধরা হলো। ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন মাল্টিগ্রেড শিখন শিক্ষণ পদ্ধতিতে উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক শিক্ষায় সকল  শিখন ক্ষেত্র বা Learning Domain কে মূল্যায়নে  অন্তর্ভূক্ত করে যোগ্যতা ভিত্তিক মূল্যায়ন বাস্তবায়ন করছে যা   মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের একটি প্রয়াস।

ছালেহা আকতার, ১ নভেম্বর ২০১৬

 

আহ্ছানিয়া মিশন শিশুনগরীর বর্তমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা

যে সকল শিশুর জন্য রাস্তা বসবাসের স্থান অথবা জীবিকার উপায় হয়ে গেছে তাদের পথশিশু বলে। ইউনিসেফ তিন ক্যাটাগরিতে পথশিশুদের ভাগ করেছে। ১) পথে বসবাসরত শিশু ২) পথে কর্মরত শিশু ৩) পথে বসবাসরত পরিবারের শিশু। পথশিশু আমাদের দেশে একটি বড় সামাজিক সমস্যা। এই সমস্যার প্রতিকারে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। বিশ^ শিশুদিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ ২০১৫ উদ্বোধনকালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়কে পথশিশু পুনর্বাসনের বিষয়ে সুষ্পষ্ট নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, কোন শিশুকে তিনি পথে বসবাস করছে এমন দৃশ্য দেখতে চান না। জাতীয় শিশু নীতি ২০১১-এর ৬.২.৩ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “পথশিশুসহ সকল দরিদ্র শিশুর পুনর্বাসন ও যথাযথ বিকাশ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সামাজিক নিরাপত্তা বলয় সম্প্রসারিত করতে হবে”। ২০০৪ সালে ARISE পরিচালিত জরিপে প্রাপ্ত তথ্য মতে ২০০৪ সালে মোট পথশিশু ছিল ৬,৭৯,৭২৮ জন, ২০১৪ সালে তা বেড়ে হবে ১১,৪৪,৭৫৪ (প্রাক্কলিত) এবং ২০২৪ সালে মোট পথশিশুর সংখ্যা দাঁড়াবে ১৬,১৫,৩৩০ (প্রাক্কলিত) জন। ২০০৪-২০১৪ সাল পর্যন্ত পথশিশু বৃদ্ধির হার হবে ৫.৯% এবং পরবর্তী দশকে অর্থাৎ ২০১৪-২৪ সাল পর্যন্ত পথশিশু বৃদ্ধির হার দাঁড়াবে ৭%। এই ক্রমবর্ধমান ধারায় পথশিশু বৃদ্ধি সমাজ ও দেশের জন্য হবে এক বিরাট চ্যালেঞ্জ। 

দেশের বিপুল সংখ্যক এসব বিপদাপন্ন সুবিধাবঞ্চিত পথশিশু যারা দেশের বিভিন্ন শহরের নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মানবেতর জীবনযাপন করছে তাদেরকে সহযোগিতা ও পুনর্বাসনের জন্য আনুষ্ঠানিক ও কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে দেশের কর্মদক্ষ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ার লক্ষ্যে মিশন প্রতিষ্ঠাতা হযরত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (রহ)-এর আদর্শে ঢাকা আহছানিয়া মিশনের সভাপতি কাজী রফিকুল আলমের চিন্তা ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে ২০১১ সালে পঞ্চগড় পৌরসভায় ভাড়া বাড়িতে শিশুগ্রামের কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তীতে পঞ্চগড় জেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের জলাপাড়া গ্রামে প্রায় ৫০ বিঘা জমির উপর প্রতিষ্ঠিত হয় ‘আহছানিয়া মিশন শিশুনগরী’।

ঢাকা আহছানিয়া মিশন-এর নিজস্ব অর্থায়নে ২০১৩ সালে ৫২০০ বর্গফুট আয়তন বিশিষ্ট আধুনিক ও সব ধরনের নাগরিক সুবিধাসম্পন্ন একটি ৫ তলা ভবন নির্মিত হয়। ৬-৮ বছরবয়সী ছেলে অথবা মেয়ে শিশু এই শিশুগ্রামে স্থান পাবে এবং প্রতিটি শিশু ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত সমন্বিত সেবার আওতায় আসবে। বর্তমানে শিশুগ্রামে মোট শিশুর সংখ্যা ১৮০ জন। উল্লেখ্য প্রোক্টর এন্ড গ্যাম্বেল (পিএনজি)-এর আর্থিক সহযোগিতায় ৩০০ শিশুর উপযোগী সম্পূর্ণ নতুন একটি আবাসিক ৫ তলা ভবনের কাজ নির্মাণাধীন রয়েছে, যা ২০১৭ সালের জুন নাগাদ শেষ হবে।

শিশুনগরীতে শিশুরা যেসব সুবিধা পাবে : নিরাপদ ও আধুনিক আবাসন ব্যবস্থা, পুষ্টিকর খাদ্য ও বস্ত্র, আনুষ্ঠানিক ও কারিগরি শিক্ষা, কৃষি খামার, প্রতিভা অন্বেষণ, আধুনিক ধেলাধুলার ব্যবস্থা ও প্রশিক্ষণ, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও প্রশিক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা, মনো-সামাজিক সহায়তা, আইনগত সহায়তা, কর্মসংস্থান ব্যবস্থা ইত্যাদি।

উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে: দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শিশু সংগ্রহ, পর্যবেক্ষণ, পঞ্চগড়ে প্রেরণ, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, তথ্য সংরক্ষণ ও শিশু তথ্য প্রশাসনকে অবহিতকরণ, জন্ম নিবন্ধন ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা, শিশুর ত্রৈমাসিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য আচরণগত অগ্রগতি মূল্যায়ন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, শিক্ষা সফর ও শিক্ষামেলার আয়োজন, আইনগত অভিভাবক সম্মেলন, নেটওয়ার্কিং ও এডভোকেসি, স্থানীয় প্রশাসন ও উন্নয়ন সহযোগী সংগঠনকে কর্মসূচি বিষয়ে অবহিতরকণ, জাতীয় সেমিনার, উপদেষ্টা কমিটির মাধ্যমে কমিউনিটির অংশগ্রহণ, শিশুদের জন্য কমিউনিটি কন্ট্রিবিউশন গ্রহণ, শিশু মিটিং, শিশু দিবস পালন প্রভৃতি।

ভবিষ্যত পরিকল্পনা:
১.          দেশের বিভিন্ন জায়গায় ১০টি পৃথক শিশুগ্রাম নিয়ে পর্যায়ক্রমে শিশু নগরী গড়ে উঠবে
২.          প্রতিটি শিশুগ্রামে ১,০০০ শিশুর পুনর্বাসনের জন্য সকল আধুনিক সুবিধা থাকবে
৩.         প্রতিটি শিশুগ্রামে বছরে ১০০ জন শিশু ভর্তি করা হবে
৪.          শিশুনগরীতে আগামী ১০ বছরে মোট ১০,০০০ পথশিশু শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের সুবিধা পাবে।

বাংলাদেশে পথশিশুদের জন্য দীর্ঘমেয়াদী বিশাল উদ্যোগ এটাই প্রথম। পথশিশুদের এরকম একটি সমন্বিত উন্নয়নে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন দেশে একটি চরড়হববৎ ৎড়ষব ঢ়ষধু করে আসছে। শিশুনগরী হবে শিশু অধিকার এবং শিশুস্বার্থ রক্ষায় জাতীয় পর্যায়ে হবে এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত এবং রেপ্লিকেবল মডেল। পথশিশুদের নিয়ে এরকম একটি চ্যালেঞ্জিং এবং মহতি উদ্যোগ দেশে এবং বিদেশে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে। 

এম, জাহাঙ্গীরহোসেন, সেপ্টেম্বর২০১৬

 

MICRO ENTERPRSE EMPOWER THE POVERTY STRICKEN PEOPLE IN ECONOMIC AND SOCIAL DEVELOPMENT

Poverty is often defined in absolute terms of low income – less than US$2 a day. But in reality, the consequences of poverty exist on a relative scale. The poorest of the poor, around the world, have the worst health.Poverty is about not having enough money to meet basic needs including food, clothing and shelter.  However, poverty is more, much more than just not having enough money. Still1.44 billion of the world's population are living in extreme poverty there85% of extremely poor people live in rural areas and our country poverty rate is 24.8%(MGD progress report). Ensuring economic growth is broad based and reduces poverty has become a fundamental development challenge.  In many countries, poor people cannot fully participate in, or enjoy the benefits of economic growth. Poor people, particularly poor women, in the developing world often lack access to participate in development process. 
Micro Enterprise Micro enterprises are small businesses with minimal employees and minimal capital. In a developing country, necessity compels micro entrepreneurs to represent the vast majority of the small business sector. Due to a lack of formal jobs and training available to the poor, micro-enterprises add value to the economy by creating micro business, enhancing income, and lowering the overall cost of business and create job opportunity. A Micro enterprise is generally defined as a small business employing nine people or fewer, and having a balance sheet or turnover less than a certain amount. As global context Micro Enterprise starts with USD 50000 and Bangladesh perspective its starts BDT 10, 00,000/=.
The presentation reflection on how poverty stricken people involved with Micro Enterprise activities, process, product diversification, research output (success story & failed story-if any), major challenges they facing, present socio economical and family status, way forward etc.
Poverty Stricken people involved with micro enterprise in many ways and mostly common ways are firstly they formed group and group consist by like-minded and economically same position in society, involved with micro finance institute, product selection, product analysis, market selection, market analysis, technique selection, received skill development and management development training, implementation and finally graduation in ME.
Four major cluster defined in micro enterprise development these are- Agriculture, Trade, Service and Processing. In agriculture cluster there includes livestock, nursery, fish culture, field crops, agri- equipment. Shop, cloth business, shoe business, medicine shop, garments, pesticide, seed, fertilizer shop all are includes in Trade areas. On the other hand auto rickshaw, hotel restaurant, tea stall, studio, phone-fax, decoration etc are treat as a service oriented ME. In process areas there includesrice husking, garments, jewelry, bakery, fried rice, and furniture, plastic etc.
Earlier DAM Foundation for Economic Development sector conducted a research on ME activities and report shown that 97% of poor people successfully continuing their business and they are not treated as poor in their society even increased their socially and economically progress continuously. On an average their monthly income more than 10,000/=, improved their life style, changed food habit, has saving amount, child goes to school and parallel changes socio economic situation like created job opportunity, product diversification, skill developed at community level, increased technology use, community people easily gets product with lower price, creates competitive market. The research paper also picked some person why they failed through ME process and reason are most of the entrepreneur fully depends on employee, lack of skill &knowledge on specific products, market linkage, products sells on credit, profit amount not re-investment  etc.
Some of challenges still facing these are market fluctuate, unhealthy competition, natural disaster, resource constraint, lengthy transaction process, lack of skill based training and lack of professional staff.
In addition also the presentation focuses Dhaka Ahsania Missions contribution in Micro enterprise with poverty stricken people. In which project directly involved with micro enterprise activities and how many family getting all sorts of support to develop ME and specific products.
DAM has specific plan to introduce micro enterprise activities among the poorest people over the country. The last slight of presentation focuses way forward based on Economic Development sectoral strategic plan of DAM these are intensify IGA, Micro, Small and Medium enterprise development and business, Promoting diversifying IT based earning, Capacity Development, Technology and Knowledge transfer, Production and Marketing, Develop link with banking sector etc.

Md. Asaduzzaman, 08 August 2016

সরকারী সেবা প্রতিষ্ঠানের সামাজিক দায়বদ্ধতা ও জবাব দিহীতা বিষয়ক উপস্থাপনা "এবষ্ট্রাক্ট"

সরকারী সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে স্থানীয় সরকারের প্রতিষ্ঠান যথা: ইউনিয়ন পরিষদ, বিদ্যালয়, কমিউনিটি ক্লিনিক, উপজেলার সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান,স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ইত্যাদি এর সামাজিক জবাবদিহীতা ও দায়বদ্ধতা এবং তা বাস্তবায়নের পদ্ধতী সমূহ এবং ডাম এর কর্মএলাকায় এ বিষয়ে অর্জিত কিছু অভিজ্ঞতা ও ফলাফল  আজকের নলেজ ফোরাম এর আলোচ্য বিষয়।

উপরে উল্লেখিত প্রতিটি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান পরিচালনার দায়ীত্বে যারা থাকেন তাদেরকে বলা যেতে পারে ডিউটি বিয়ারার এবং যারা সেবা গ্রহিতা তারা ঐ এলাকার জনগণ এবং তাদেরকে বলা হয় সেবা প্রাপ্তির অধিকার ভোগকারী বা উপকার ভোগি জনগোষ্ঠি। প্রতিটি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান  কি সেবা দিবেন, কাকে সেবা দিবেন , সেবার পরিমান ও মান কি হবে, কি পদ্ধতী অবলম্বনে তা জনগণের মধ্যে বিতরণ করবেন তার একটি সরকার কতৃক অনুমোদিত বিধি ও পদ্ধতী থাকে তা অনুসরণ করেই সেবা বিতরণ করা হয়। ।এসব বিধিমালায় ও রাষ্ট্রিয় আইনে জনগণ যাতে সহজে ,নির্বিঘেœ উন্নত মানের সেবা পেতে পারে সে সম্পর্কে দিকনির্দ্দেশনা দেয়া থাকে।

কিন্তু আমাদেরদেশের বর্তমান আর্থ-সামাজিক বাস্তবতায় জনগণ তাদের সেবা প্রাপ্তির অধিকার সম্পর্কে সচেতন ও অবহিত নয়, এছাড়া গরীব জনগোষ্ঠির  দক্ষতা, নেতৃত্ব ও সক্ষমতাও থাকেনা এ সেবা বুঝে নেয়ার জন্য। সেবা গ্রহীতাদের নিষ্ক্রিয়তা, অংশগ্রহণের অভাব, দেন-দরবার করতে না পারা, যোগ্য নেতৃত্ব না থাকা, বিভিন্ন অনিশ্চয়তা ইত্যাদি সমস্যা বিদ্যমান। অন্যদিকে সেবা প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় নিয়োজিত কর্তৃপক্ষ জনগণের চাহিদা, ভালমন্দ বিষয়ে অনাগ্রহ, তাদের ও অসচেতনতা, সক্ষমতা না থাকা ইত্যাদি কারণে সেবা গ্রহীতারা মানসম্মত সেবাপ্রাপ্তি থেকে বি ঞ্চত । ফলে তাদের ভাগ্যের ও জীবনমানের  উন্নয়নের পরিবর্তে বেশীরভাগ জনগণ হয় আরও গরীব।

এই অবস্থার অবসান ঘটিয়ে, উভয়পক্ষের সক্রিয় অংশগ্রহন,প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সেবা গ্রহিতারা যাতে উন্নত সেবা আরও বেশী পেতে পারে,সেবায় তাদের অভিগম্যতা বাড়ে, যে কোন অনিয়মও অন্যায়ের তাৎক্ষনিক প্রতিবাদ ও ভয়েস রেইজ করতে পারে সে উদ্দেশেই সামাজিক জবাব দিহীতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। ডাম এর রাইর্টস এন্ড গভার্নেন্স সেক্টর এর আওতায়  এস,এস,পি,পি, জামালগঞ্জ  প্রকল্পে এ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং  সফলতা লাভ করতে পেরেছে ,  আজকের আলোচনায় তার কিছু অংশ তুলে ধরা হলো ।  

দেওয়ান ছোহরাব উদ্দিন, ১১ জুলাই ২০১৬

Community Based Approach to Combat Climate Change Impacts through Adaptation, Mitigation and Disaster Risk Reduction

In recent years, climate change and other threats to the environment and climate induced disaster risk have forced the world to look deeper into sustainability. Climate change threat to Bangladesh is integrally related to the country's sustainable development. It is not sufficient to concentrate on either mitigation or adaptation, but a combination of these results in the most sustainable outcomes. Yet, these two strategies do not always complement each other, but can be counterproductive. Therefore, climate change mitigation and adaptation have emerged as important tools for disaster risk reduction for all the countries of South Asia. Bangladesh has significant improvement with different innovative initives and these are basically integrating as bottom-up approach, which is community based. The presentation is focused the key learning's and best practices of Adaptation, Mitigation and Disaster Risk Reduction.

Jahangir Alam, 02 May 2016

Post-harvest loss: A dimension for Food Security

Prevention of Postharvest Losses- A Dimension for Food Security
(Bangladesh perspective for Rice Crop)

Bidyuth K. Mahalder
Chief of party
USAID Agricultural Extension Project

Food security exists when all people, at all times, have physical and economic access to sufficient safe and nutritious food that meets their dietary needs and food preferences for an active and healthy life. Bangladesh has more than tripled rice production since independence that helping to derive the country to near self-sufficiency in rice. Smallholder farmers, who have historically one rice crop per year, are now expanding their production to two or sometimes three annual crop cycles, which is a big shift to gain food sufficiency in cereal crop.

Rice production can be increased by increasing the technical efficiency of the crop production system as well as reducing the postharvest losses of the crops. Much of the recent gains in rice production have not kept pace with postharvest industry development which remains in its infancy. This has exacerbated bottlenecks in the postharvest chain which jeopardizes these gains and compromises food security for many families.

The present study was conducted in reviewing of literature, relevant documents and publications on post-harvest losses and prevention for rice crop in Bangladesh. In addition, data were collected from website and different national and international research and development organizations conducted similar studies across the country.

The postharvest loss is a measurable quantitative and qualitative loss in a given product including deterioration, which is very significant (i.e. from 13.02 to 13.72%)for rice crop in Bangladesh. The losses varied from 1.14-2.50% for harvest, 0.58-0.80% for field staking, 0.52-0.57% for field transport, 0.77-0.98% for threshing, 0.36-0.57% for winning, 1.63-2.84% for drying, 1.93-2.75% for parboiling, 3.28-4.54% for milling and 0.3-1.20% for storage.

A recent study conducted with smallholders observed that 39% of the respondents had never heard about postharvest technologies. Most of the farmers, with few exceptions, still cut their rice crop manually with a sickle with little awareness of other options. A total of 81% trained beneficiaries, of which 55% women of Agricultural Extension Project are practicing improved seeds storage management.Women were found to play an important role in postharvest processing including cleaning, drying and storage. But household income and land size were found as the significant determinants of improved postharvest technology adoption.

Most of the rice farmers are marginal farmers (productive land <1.0 ha) and lands are very much fragmented in Bangladesh. So, post-harvest machineries manufactured in developed countries are not very much usable for Bangladeshi farmers.  The farmers cannot invest large amount money for purchasing post-harvest machineries to reduce the losses.

Introducing reaper in wet condition, mini combined harvester, open drum thresher; adaptive research on flat bed dryer, popularization of moisture meter, super bags and organic cocoons are recommended technologies in reducing post-harvest losses. Moreover, training of service providers, operators and mechanics are considered as the essential part of postharvest-lost prevention activities for cereal crop in Bangladesh.

Bidyuth K. Mahalder, 02 April 2016

Community Lead Total Sanitation (CLTS)

DAM WASH sector has started its journey through water and sanitation activities in the coastal, hill, char and barind areas in 2000 with partnership 27 local NGOs under DPHE-Danida, WSS program during 2000-2005 in 28 Upazila under 8 coastal districts of Bangladesh which covered 7.5 million people. The CLTS approach through Dishari intervention with support from WaterAid, WSP and Plan in 2005-2008 has successfully implemented.

WASH is a focused program of DAM health sector, which has emerged and developed as an important complementary sector in last 15 years with diversified range of activities and approaches to serve the disadvantaged poor community in different geographic areas of the country.

A decade ago, we were not aware that human excreata carries disease and is a major killer. A radical participatory approach called Community-Led Total Sanitation (CLTS) has encouraged millions of people to look at, talk about and tackle the problems caused by open defecation. Communities analyse their hygiene habits and practices and mobilise to take collective action to totally sanitise their environments. The community learns why open defecation is bad, through an ignition process. The key to the success of CLTS is convincing the community themselves to take action. Usage of toilets is highest where households recognize the need for toilets and install on their own. Therefore no hardware subsidies are given for CLTS. Neighboring communities then saw the difference sanitation makes in Para life and so the learning spreads.

CLTS has proved that latrine usage is highest where households recognize the need for latrines and actually on their own. Sanitation coverage activities are carried out based on the genuine community demand. There are different technological options available for adaptation to fulfill the community needs. The different options are based on geography requirements, community demand and people's affordability.

CLTS has played an important role in improving sanitation in Bangladesh. It was first developed in Bangladesh in 1999 by Dr Kamal Kar. Today CLTS is in more than 50 countries in Asia, Africa, Latin America, the Pacific and the Middle East, and governments are increasingly taking the lead in scaling up CLTS. At least 16 national governments have also adopted CLTS as national policy.

Dishari used all the CLTS principles however the fundamental uniqueness between other CLTS models is the fact that Dishari capacity builds with the local government which has proved to be more sustainable. DAM WASH sector has been implementing this approach in CMWS, CMWSH,  HYSAWA and recently GoB Unicef CATS project also implemented this approach in 140 Union Parishads of five northeastern Upazilas of  Chapai Nawabganj, Satkhira, Sunamganj, Bhola Sador, Charfasson, Bandarban, Kagrachari, Jamalpur with the aim to scale-up the successful Total Sanitation model from village level to Upazila (sub-district) level and achieved 100 per cent sanitation coverage in the 140 Unions. SLTS (School Lead Total Sanitation) approach also has been implemented in the development sector like CLTS. SLTS approach was implemented by DAM WASH sector under the WASH in School project funded by Unicef.

Laboni Shabnam, 01 March 2016

Innovation Practice in ECD: Child Friendly Shimulbari

Early Childhood development means providing all the support necessary for every child to realize his/her right to survival, to protection, to care and to education that will ensure optimal development from birth to age 6. DAM has an excellent track record and glorious role in education sector especially on Early Childhood Development (ECD). Since 1992, working in NFE & gathering ECD experience from IECD project, DAM has implemented the innovative ECD practice at Jaldhaka Upazilla of Nilphamari District as replication of IECD. As a result, Shimulbari Union is declared as ECD zone.
[Innovation Practice Strategy:]
In the innovation practice of ECD in Shimulbari union, it has been developed an Integration among like mind organization, existing resources has used properly, engage the community organizations and Participatory /comprehensive monitoring system application has been applied. To develop child friendly union, it has increased awareness, positive change of knowledge, skill and attitude especially duty bearers i.e. parents, care givers, local governments, community based organization (CBO) etc. The awareness issues are on child rearing practice, age 0 to 3 years children at their home through parenting, home based early learning (SBK) to increase access of 3-5 years old children. Capacity building training and orientation has been organized for the teachers, caregivers, CBO, SMC to address school readiness after graduation from Pre primary school and children achieve pre learning competences.
Besides, need base support for pregnant mother from their family & community clinic, immunization for all children, parents’ awareness on EPI, birth registration of children etc have been ensured at union level. On the other hand, different initiatives are taken to increase access to and utilizations of basic services by mother and children health, nutrition, education, safe water and sanitation etc.
For the proper implementation of this innovation practice, sharing meeting, development activities plan, group formation, rally, discussion meeting, TFD show etc has been organized with CBO, UP bodies, SUC members, parents and care givers, stake holders at union level. All the implementation activities are followed up through a participatory monitoring. These activities are lead by the members of education development committee. After achieving the all the ECD indicator and visiting the union by District Primary Education Office, Nilphamari, the union is declared as ECD zone by giving a title ‘Shishu Bandob Shimulbari’. Through a colorful program, the Parliament Member of Constituency Nilphamari-3 Professor Golam Mustafa, MP as a chief guest acknowledges this innovation practice of ECD.
This paper is describing the innovation practice that aim is to contribute the effective home based early childhood care and education system by holistic development of Children (Physical, Cognitive, linguistic, Social and Emotional) that enables every children to access quality primary education equally. Besides, the paper has also explored the ideas to be replicated in NFE with necessary adaptations to suit the context.

 

Md. Shahidul Islam, 01 February 2016

বাংলাদেশের কৃষকের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রচারণামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন

পৃথিবীর আদিমতম পেশার অন্যতম হলো কৃষি। আর কৃষিই হলো বাংলাদেশের অগ্রগণ্য উন্নয়ন খাত। এ কাজের সাথে যারা নিবিড়ভাবে সংশ্লিষ্ট তারা আমাদের মৃত্তিকার সন্তান, বাংলাদেশের কৃষক। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে যারা ক্লান্তিহীন শ্রম-ঘামে কৃষি উৎপাদনের চাকাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন সামনের দিকে। খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে বাংলাদেশের সাফল্য এখন উচ্চারিত হ"্ছে বিশ্বের সর্বত্র। সম্প্রতি প্রকাশিত জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষিবিষয়ক সংস্থা(এফএও) 'দ্য স্টেট অব ফুড সিকিউরিটি ইন ওয়ার্ল্ড-২০১৫' শীর্ষক প্রতিবেদনে জানানো হয় যে, জাতিসংঘের সহ¯্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষমাত্রা (এমডিজি) পুরণের ক্ষেত্রে কৃষি ও খাদ্যনিরাপত্তা অর্জনে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ সবচেয়ে সফল। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে কতিপয় দেশের মতো খাদ্য নীতি গবেষণাবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা ইফপ্রি প্রকাশিত 'গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স-২০১৫' শীর্র্ষক প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে ইফপ্রির বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী আক্তার আহমেদ বলেন, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশের ধারাবাহিক সাফল্য এসেছে কৃষকদের পরিশ্রম ও বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনের ফলাফল হিসেবে । স্বাধীনতা উত্তর আমাদের দেশে মাত্র কয়েক দশকেই খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে কৃষক ও কৃষিজীবীদের অবদান অতুলনীয়। কিন্তু দেশের মানুষের প্রধানতম মৌলিক অধিকার খাদ্য চাহিদা পূরণের মহান দায়িত্ব পালনে যে কৃষকের রয়েছে অসামান্য অবদান তার সামাজিক মর্যাদা আজও অর্জিত হয়নি।

কিন্তু কেন আজো কৃষক তার সামাজিক মর্যাদার স্বীকৃতি পাচ্ছে না তা অনুসন্ধান করলে কতিপয় দিক উন্মোচিত হয়। আমাদের দেশের কৃষক সমাজ খাদ্য উৎপাদনে যুগান্তকারী সফলতা অর্জন করলেও তারা ফসলের উপযুক্ত মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কারণ, এখনও মধ্যস্বত্বভোগী ফোড়িয়াদের দ্বারা বাজার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রিত হবার কারণে মুনাফার সিংহভাগ চলে যাচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগীদের পকেটে। কৃষকের অর্থনৈতিক অনুন্নয়নের পেছনে এই অবস্থা অনেক বড় ভূমিকা রাখছে।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির যে ব্যবহার দেখা যায়, বাংলাদেশ সে তুলনায় অনেক পিছিয়ে রয়েছে। ফলে আমাদের দেশের কৃষি পেশাকে পশ্চাপদ পেশা হিসেবেই বিবেচনা করা হয়ে থাকে। যার কারণে, এখানে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শিক্ষিত যুব সমাজের সম্পৃক্ততা কাঙ্খিত মাত্রায় হচ্ছে না। এই অবস্থা কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা সৃষ্টিতেও অন্তরায় হিসেবে কাজ করছে।

আমাদের দেশে কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের বিকাশ খুব সন্তোষজনক নয়। এই অবস্থা কৃষি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে যা চুড়ান্ত অর্থে কৃষির বিকাশের অন্তরায়।

আমাদের দেশে কৃষিভিত্তিক উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের বিষয়টি এখনও প্রাধান্যিকরণের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় সারিতে অবস্থান করছে। শুধু তাই নয়, যারা উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করছেন তারাও চাকরি গ্রহণে যতখানি আগ্রহী ঠিক ততখানিই অনাগ্রহী একজন শিক্ষিত আধুনিক কৃষক হিসেবে কিংবা কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে।

আমাদের সমাজে লক্ষ্য করলে দেখা যায় ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারসহ বিভিন্ন পেশাকে যেভাবে গুরুত্ব ও সম্মান করা হয় কৃষক বা কৃষিভিত্তিক পেশাকে তা করা হয় না। 'আমার পিতা একজন ইঞ্জিনিয়ার বা আইনজ্ঞ' এ কথা গর্বভরে বলতে পারি কিন্তু 'আমার পিতা একজন কৃষক' এ পরিচয় দিতে এখনো কুণ্ঠাবোধ করি। কিন্তু আমাদের আরাদ্ধ হলো আমরা যেন গর্বভরে বলতে পারি 'আমার পিতা একজন কৃষক।' এ জন্য প্রয়োজন কৃষকের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষক ও কৃষিপেশা সম্পর্কে মানুষের প্রচলিত দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের। আর সেই কাজটি করতে গ্রহণ করা দরকার একটি সুসমন্বিত সামাজিক প্রচারণামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নের।

ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন কৃষক ও কৃষির সামগ্রিক উন্নয়নের বিষয়টিকে খুবই গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে । এলক্ষ্যে মিশন বাস্তবায়ন করে থাকে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি । তারই ধারাবাহিকতায় কৃষকের সামাাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য কৃষিতে প্রযুক্তির ব্যবহার উত্তরোত্তর বৃদ্ধি এবং কৃষি পেশায় যুব সমাজের অধিকতর অংশগ্রহণের পাশাপাশি কৃষি ও কৃষিপেশা সম্পর্কে মানুষের সেকেলে মনোভঙ্গি, বিশ্বাস ও মূল্যবোধ পরিবর্তনের জন্য কমিউনিটি ও জাতীয় পর্যায়ে জন সচেতনতা বৃদ্ধির জোর তৎপরতা গ্রহণ সময়ের অনিবার্য দাবি বলে মিশন মনে করে। ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন সবাইকে সাথে নিয়ে সেই দাবি মিটাতে বদ্ধপরিকর। বদ্ধপরিকর সেই সমাজ বিনির্মাণে যেখানে একজন কৃষকের সন্তান গর্বভরে উচ্চারণ করবে- "আমার বাবা একজন কৃষক। আমি গর্বিত, কৃষক পিতার সন্তান হিসেবে। আমারও স্বপ্নের বীজ পল্লবিত হবে ভবিষ্যত বাংলাদেশের আধুনিক কৃষি পেশার একজন পেশাজীবী হিসেবে।"

মোস্তাগিসুর রহমান, জানুয়ারি ২০১৬

Demographic Transition and Policy Frameworks of Aging

United Nations has agreed that 60+ years may be usually treated as old age. At this moment there in no United Nations standards numerical criterion, but the UN agreed cut-off is 60+ years to refer to the older population.  National Policy of OP in GoB says 60 years and over will be treated as older people.  Most developed countries have accepted the chronological age of 60-65 years as a definition of elderly.  In Africa WHO set 50 years as the beginning of old age. Old age comprises “the later part of life; the period of life after youth and middle age.  Old age in many countries is seen to begin at the point when active contribution to the family is no longer possible

Cultural definition: Old age can be defined by the role assigned to you by society

Social Perception: Social perception can be defined by the traditional perception of society, community in different location

Determinants of demographic trend are falling fertility, Increasing life expectancy, declining mortality, key drivers of these trends in Bangladesh include ,  family planning, reproductive health and nutrition programmes,  health education, sanitation and rights programmes, Japan is the only country of the world where more than 30% population aged is over 60. In 64 countries will have 30% or more of the population over 60 by 2050.

Globalization, structural adjustment programmes, fiscal constraints and a growing older population are often perceived as exerting pressure on formal social protection/social security systems. Population ageing is poised to become a major issue in developing countries, which are projected to age swiftly in the first half of the twenty first century. The proportion of older persons is expected to rise from 8 to 19 per cent by 2050, while that of children will fall from 33 to 22 per cent. This demographic shift presents a major resource challenge. Though developed countries have been able to age gradually, they face challenges resulting from the relationship between ageing and unemployment, while developing countries face the challenge of simultaneous development and population ageing.

Five areas of intervention UN principles for older people, these are- Independence – access to basic needs, work, and retirement, Participation – integrated, intergenerational, older person focused, Care – family, community, health, legal, and human rights, Self-fulfilment – education, recreation, spiritual, and self-development, Dignity – free from exploitation and abuse and treated fairly without discrimination

UNHCR policy on older refugees 2000: Aim to encourage staff to recognise not only the needs, but also the contributions of older people. Older people live their latter years in dignity and security, contributing actively to their families and communities for as long as it remains possible for them to do so, and are offered care and support if they become physically or mentally ill. Madrid International Plan of Action on Ageing 2002 mainly emphasizes on Equal access to food, shelter, medical care and other services, Enhanced contributions of older people to the re-establishment and reconstruction of communities

Abdur Rakib, 01 June 2015

Transactional Analysis for Better Living

Dr. Eric Berne, MD (1910-1970) was an American Psychiatrist initially trained under the Freudian method of Psychoanalysis. Transactional Analysis is a form of modern psychology that examines a person's relationship and interactions. Berne took inspiration from Freud's theories of personality, combining them with his own observations of human interaction in order to develop transactional analysis. In therapy, transactional analysis can be used to address one's interactions and communications with the purpose of establishing and reinforcing the idea that each individual is valuable and has the capacity for positive change and personal growth. 
Transactional Analysis-popularly known as T.A. 

Key concepts:
Transactional analysis is a humanistic, existential, dynamic theory of personality and a therapeutic modality whose practitioners believe humans are born in ‘OK” state, that each person is unique and that people ultimately are responsible for their own behavior and destinies.

Transactional Analysis (TA) is many things. First, it is a philosophy-a point of view about people. Second, it is a theory of personality development, intrapsychic functioning, and interpersonal behavior. Third, it is a system of techniques designed to help people understand and change their feelings and behaviors. All these aspects are thoroughly interconnected – even though we occasionally discuss each of them separately.

  • Transactional Analysis is a theory of personality and behavior and a systematic tool for personal growth and personal change.
  • Transactional Analysis gives us a picture of how people are structured psychologically.
  • TA also provides a theory of communication.
  • TA offers a theory of child development – the concept of life script explains how our present life patterns originated in childhood.

Philosophy of Transactional Analysis:

  • All individuals are born Ok, as princesses.
  • All individuals have the capacity to think except the severely brain damaged.
  • All individuals decide their own destiny and these decisions can be changed.

Transactional analysis is frequently applied in the areas of medicine, communications, education, and business management as well as therapy. The mainstream appeal of this technique has attracted parents, professionals, social workers, and others who strive to achieve maximum personal development. Transactional analysis is considered to be one effective method of enhancing relationships with oneself and with others.

 

Dr. Rahena Begum, 01 October 2015

Professional Development of NFPE Teachers

Background
Non-formal Primary Education is the fast expanding sub-sector of the education system in Bangladesh. A large number of NFE teachers are engaged in these sub-sectors. Its above the discussion that qualified teacher can ensure quality education. An inspiring and knowledgeable teacher plays important role for influencing students to achieve goal. So it is required to pay close attention on how we train and support both new and experienced teachers. A teacher must understand the concepts in processing professional development. Effective professional development enables educators to develop knowledge, skills and attitude, as well as address student learning related challenges. But lack of institutional facilities to support for NFE teachers professional development training. Considering this situation including ensuring the quality of education Training & Material Development Division (T&MD) & Khan Bahadur Ahsanuallah Teachers Training College (KATTC) felt the urgent need to develop adequate facilities to develop of professionally qualified teachers for non-formal sub-sectors. KATTC is the first private college in Bangladesh that has taken the lead in introducing professional course for NFE teachers. It has set on example by setting new grounds in human resource development for primary education. It is expected that KATTC and T&MD of Dhaka Ahsania Mission will create a larde of professionals in non-formal sub-sectors.

Goal
Ensure quality in non-formal primary education through N FPE teacher professional capacity development initiatives.

Objectives
•     To develop knowledge, professional skills and attitude of NFPE teachers.
•     To update and develop interactive teaching technique & methods.
•     To learn and explain effectively of the primary level curriculum and facilitate the educational activities and evaluation
•     To learn & explain effectively and implementation of the primary level curriculum and facilitate the educational activities and evaluation.
•     To achieve necessary knowledge and application for child development, effective learning theories and inclusive learning practices
•     To exchange information and expertise among teachers.

Area
• Courses for teachers professional development
•  Educational management and development   
• General pedagogy and subject based pedagogy
•  Psychology of learning and assessment  
• Human quality   
•  Community engagement

Credit and courses requirement
•   31 credit hours required for the degree
•    2 courses = 19 credit hours  
•    4 Assessment = 4 credit hours   
•   4 Assignment = 4 credit hours
•    Practical 5 month = 4 credit

To have an extensive and intensive practical experience during the period of practicum, students will be attached with the centres. The duration of the course will be six months. The course will by divided into three parts. i. On campus ii. Of campus iii. Virtual. The course will be consider as certificate course be designed by 3 assessments.

Admission requirement
Candidates having at least GPA-3 point, and five years experience as NFPE teacher. Flexibility on GPA-3 will be offered incase of special quality. The course will offer to working in teacher of Dhaka Ahsania Mission and others organizations. The committee of KATTC will examine equivalency of any qualification and their decision will be treated as final.

Admission procedure
Admission notices are displayed in KATTC office board and published in National Daily Newspapers including DAM website. Applicants are required to apply as per prescribed application form at available in the KATTC office and website. The website address is www.ahsaniamission.org.bd Application forms to gather with prospectus are supplied to each applicant on payment.

Momotaz  Khatun, 01 September 2015

Trends of Key Management Theories & Practices

Important management approaches for managing organizations and individuals with effectiveness and efficiency originated subsequent to the Industrial Revolution, particularly after World War II.  The essence of these major approaches is presented sequentially as follows:
Classical Approach: Introduced two sub-grouping which were Scientific Management by F W Taylor in 1911 and Bureaucratic Model by Max Weber in between 1864-1920.
Scientific Management, also called Taylorism, is a theory of management that analyzes and synthesizes workflows. Its main objective was to improve economic efficiency, especially labor productivity. It was one of the earliest attempts to apply science to the engineering of processes and to management.
Weber specifies that both the public and private bureaucracy is based on specific competencies of various offices. These competencies are specified in various rules, laws, and administrative regulations.
Administrative Management Approach: Henry Fayol believed that managers needed specific roles in order to manage work and workers. This became known as the administrative school of management and was founded on the six functions of management: forecasting, planning, organizing, commanding, coordinating and controlling. Many of the principles are now considered to be common sense, but at that time they were revolutionary concepts for organizational management. Fayol in his book Principles of Management in 1916 offered "14 Principles" which were division of work, authority,discipline, unity of command, unity of direction, subordination of individual interests to the general interest, remuneration, centralization, scalar chain, order, equity, stability of tenure of personnel, initiative and esprit de corps.
Human Relations Approach: Elton Mayo projected that managers should become more “people-orientated”.  He introduced this approach in 1932 which recognized the importance of the informal organization within the formal structure. This informal organization influences the motivation of employees. This approach has led to ideas on increasing production by humanizing the organization with a greater understanding of people’s psychological and social needs at work.
Neo-Human Relations Approach:  Abraham Maslow’s Hierarchy of Needs, initiated on 1954; Peter Drucker’s Management by Objectives/Results (MBO/R) on 1954;   Frederick Herzberg’s Motivation-Hygiene Theory on 1959; Douglas McGregor’s X Y Theory on 1960; Fred Fielder’s Contingency Management on 1967 and William Ouchi’s Z Theory on 1981.
Maslow put forward a theoretical framework of individual personality development and motivation based on a hierarchy of human needs. The hierarchy ranges through five levels from physiological needs, through safety needs, social needs and esteem needs, to the need for self-actualization at the highest level.
Drucker involves MBO/R for the establishment of goals by managers and their subordinates acting together, specifying responsibilities and assigning authority for achieving the goals and finally constant monitoring of performance.
Herzberg isolated two different sets of factors affecting motivation and satisfaction at work. One set of factors comprises the term 'hygiene' to describe factors that cause dissatisfaction in the workplace, are extrinsic, and are linked to things such as compensation, job security, organizational politics, working conditions, quality of leadership, and relationships between supervisors, subordinates, and peers. The second factor is motivators or satisfiers. Factors for satisfaction include responsibility, job satisfaction, recognition, achievement, opportunities for growth, and advancement.
McGregor argued that the style of management adopted is a function of the manager’s attitudes towards human nature and behavior at work. He put forward two suppositions called Theory X and Theory Y which are based on popular assumptions about work and people.
The major statement of Fred Fielder’s Contingency Management is that there is “no best way to do things”.  The theory states that task or relations motivations is contingent upon whether the manager is able to both control and effect the group's situational favorability, or outcome.
William Ouchi’s Theory Z, so called “Japanese Management” style, was popularized during the Asian economic boom of the 1980s. This theory focused on increasing employee loyalty to the company by providing a job for life with a strong focus on the wellbeing of the employee, both on and off the job.   
Conclusion:
The evolution in management theory over the last century is the history of constantly changing role of leaders in the organization. While early managers relied on authority and strong-arm tactics to reach their goals, leaders in our time operate through setting personal example of values and principles that their followers could aspire to achieve.

Kazi Mohammad Abu Hashem

Agricultural Technology Innovation System in Bangladesh

Bangladesh predominantly is an agricultural country with a population of over 158 million. Around 47 % of the population engaged in agriculture. Bangladesh has a total area of 14.85 million ha of which 62% are arable (8.2 million ha). Irrigated area covers 56% of the total cultivated land. Agriculture contributes about 18.7% to the national economy including crops & horticulture (10.3%), fisheries (4.3%), forest (1.6%) & livestock (2.4%). Bangladesh has a well developed research-extension linkage, having extensive research network in major AEZ. Incidence of poverty declined from more than 80% during 70s to 31.5 % in 2010. Long history of Agricultural Research started in 1908. Rice is the major crop covering 77% of the cultivable areas & main staple food. Other major crops includes are wheat, maize, jute, pulses, oilseeds, sugarcane, tea etc. High value crops include vegetables, fruits, spices, potato etc. Fisheries (inland, marine) and livestock are also productive sector.
However, government of Bangladesh has taken some initiatives in Agriculture such as;

  • Completed  farmers database, provided inputs support card & new bank accounts opened for 18.2 million farmers;
  • Increased subsidy on agricultural inputs  (fertilizer, diesel, electricity, seeds);
  • provided agricultural credit at the rate of 2% only for pulses, oilseed, maize & spices to encourage increase production of this crop;
  • Free supplementary irrigation for 100 hours;
  • Enhanced agricultural rehabilitation grants to victims of natural calamities;
  • Support for accelerated mechanization of agriculture;
  • Upgrading agriculture policy;
  • Developed Country Investment Plan (CIP) to address food & nutrition security.

There have some Challenges in Agriculture such as;

  • About 42% areas of the countries is facing environmental challenges like floods, droughts, salinity & coastal tidal inundation etc.
  • Rapid shrinkage of agricultural land 0.49% per year
  • Population growth 1.36% per year
  • Depleting natural resources
  • Climate change adaptation & mitigation
  • Technology generation & transferring updated information
  • Inadequate value addition/agro-processing
  • Attaining irrigation efficiency
  • Regaining soil fertility & natural ingredients
  • Research-extension-farmer-market linkage
  • Slow progress of mechanized farming.

In Bangladesh, agricultural growth has accelerated from less than 2.0% per year during the first two decades after independence to around 3.0% during the last decades (FY2000-FY 2010). The achievement of the non-crop sector largely contributed to the accelerated growth namely, fishery (6.5%), and livestock (2.8%) sectors performed largely better than the crop (1.9%) sector. These results suggest a changing pattern in the composition of agricultural GDP and diversification from crop (particularly rice) based agricultural. This steady growth in agriculture along with a strong emphasis on rice production has enabled Bangladesh to achieve virtual self-sufficiency in basic food grain except in abnormal years marked by severe weather conditions and floods. Solid agricultural performance of the past decade has been instrumental in raising farm incomes and increasing real agricultural wages, thereby contributing handsomely to rural poverty reduction.

Presenter: Dr. S M Khalilur Rahman, 1 July 2015

Food security in Jamuna River Flood plain basin in Bangladesh

The Jamuna River is the downstream continuation of the Brahmaputra in Bangladesh. It is one of the largest sand-bed braided rivers in the world and every year it erodes thousand hectares of mainland floodplain, rendering tens of thousands of people landless and/or homeless. Understanding the morpho-dynamics of this river and its responses to the various drivers of morphological change that act on it is essential to improving the livelihoods of millions of floodplain dwellers in Bangladesh, especially given the threats posed by climate change. Reliable data, information and knowledge of river process are sparse and so progress in linking the impacts of multiple drivers (including neotectonics, earthquakes, large-scale avulsions and engineering interventions) to complex morphological responses depends on making best use of historical maps, time-series satellite images, hydromorphological data, expert judgment and local knowledge. This paper draws on all these sources to vulnerability of the Jamuna River basin and its Food security patterns. The new knowledge generated by the analyses developed herein are combined with existing, conceptual and empirical process– response models for the Jamuna to predict possible future morphological adjustments in ways helpful in identifying appropriate strategies for climate change adaptation in Bangladesh. The enhanced knowledge gained from these historical and contemporary investigations may also be useful in assessing the impacts of natural and anthropogenic drivers on other large, braided rivers.

Due to such geomorphological formation it is an area that has been intrinsically associated with natural disasters. As a result of its geography, area of Jamuna basin frequently suffers from devastating flood. In Bangladesh floods are recurrent; some normal and annual flooding is important to the people and economy. However severe floods of high magnitude can have adverse impact on the economy and even cause loss of life. With increase in population, rapid urbanization, growth of infrastructure, other economic development and poor maintenance flood risks have been increasing. In fact catastrophic floods can have major adverse consequence on the long term development of the area/country. Flooding in Jamuna river basin is a recurrent phenomenon and normally it hits from July to September each year. Mentionable that about 60 percent of land area is inundated during monsoon in a normal year.

The areas are covering large part of flood plain land. In this belt Sirajganj, Pabna, Bogra, Jamalpur, Kurigram, Rangpur, Gaibandha are the most vulnerable districts and constitute the most risk zone. People in these regions face specific problems that greatly hamper their capacity to respond to natural disaster like flood. These are -- no emergency flood forecast system; severe lack of awareness about the negative consequence of flood; lack of an information system to coordinate a unified response to the flood; lack of available resources to meet both emergency and long term needs; lack of available rescue boats and other materials; limited number of beneficiaries are selected; lack of temporary livelihood shelter; inadequate number of water purifying tablet or saline and alum; inadequate management effort in the case of pregnant women, the disabled, aged or widow. For mitigating the flood related damages and sufferings in the affected areas some strategies can be followed, viz, constructing or reconstructing embankments immediately, setting up human and cattle shelters, community based clinics and also taking initiative for setting up tubewells and sanitary latrines on the high land, conducting disaster related awareness programmes, encouraging peasant for eco-friend paddy cultivation, asset transfer to the poor people, agricultural technology transfer and market development activities. (Md. Asaduzzaman, Head-DFED)

Reference: Daily Star, Morpho-dynamics of the Jamuna River by Maminul H. Sarker & others.

Roles of culture and local wisdom in sustainable development

"If development can be seen as enhancement of our living standards, then efforts geared to development can hardly ignore the world of culture"-Amartya Sen

Culture is defined as "…the set of distinctive spiritual, material, intellectual and emotional features of society or a social group, and that it encompasses, in addition to art and literature, lifestyles, ways of living together, value systems, traditions and beliefs." (Preamble to the Universal Declaration on Cultural Diversity 2001).

It is obvious that development initiatives and approaches which take local conditions and cultures into account are likely to result in more context-sensitive and equitable outcomes, whilst also enhancing ownership by target beneficiaries. Integrating culture into development policies and programmes, therefore, fundamentally contributes to their effectiveness and sustainability.

Consideration of culture effectively enables development when projects acknowledge and respond to the local context and the particularities of a place and community through the careful use of "cultural‟ resources, as well as emphasis on local knowledge, skills and materials. Emphasizing culture means also giving members of the community an active role in directing their own destinies, restoring the agency for change to those whom the development efforts are intended to impact, which is crucial to sustainable and long-term progress.

Respecting and promoting cultural diversity, moreover, facilitates intercultural dialogue, prevents conflicts and protects the rights of marginalized groups, within and between nations, thus creating optimal conditions for achieving development goals. On the other hand, culture as a sector of activity – including tangible and intangible heritage - is in itself a powerful driver of development, with community-wide social, economic and environmental impacts.

Likewise, if local wisdom is part of culture it has effectively been used in mitigating the problems and difficulties which surround popular lives i.e. the life and living of disadvantaged local (rural) communities. They are thus referred to as best practices on indigenous knowledge having a close linkage with biodiversity conservation, health development, use of water and watershed resources, sustainable agriculture and most importantly everyday survival of common people.

Towards sustainable development, local wisdom‟s main strength lies in the fact that it is deeply anchored on the local socio-economic fabrics with a problem solving (down to earth) focus. Indigenous practices emanating from local wisdom are often low cost, time efficient, flexible and adaptive and in the most cases environmentally sustainable. The constitution of Bangladesh also commits to uphold the traditional practices and heritage of the people as described in Article 23, meaning our culture has nicely accommodated the traditional belief and practices conducive to mainstream development.

UN agencies particularly the Unesco, international development organizations and of course the organizations initiated by locals recognize the fact that without collaboration among local entities, fusion of their culture with appropriate technology and nurturing multi-fold community led good practices, attaining sustainable development as it is interpreted in present day discourse as well as DAM strategic plan (2015), can be a far cry.

References:
Of people wisdom: Indigenous Knowledge and practices in Bangladesh, Edited by Niaz Ahmed Khan & Sukanta Sen, BARCIK, Dhaka, 2000; Unesco Website 2015

Presenter: G F Hamim, DAM, 1 April 2015

Empowerment of Girls for Social Transformation

Empowerment is the process in which categories of people and also individuals manage to improve their own position, possibly with some external support to achieve four interdependent elements, which are the social, the economic, the political and the physical aspects. In the same way, social scientists describe social transformation as process by which an individual alters the socially recognized social status of their parents into a socially achieved status for themselves. The first occurs with the social system and the second with the individual level of transformation. The development sector first encountered this usage of the word during the early 1990s, when “transformation” came to be associated with the massive plan to overhaul our nation’s education system. “Education transformation” was a term nuanced with esoteric meaning. As mentioned above, the four elements are strongly present and indivisible in Empowerment and Social Transformation process across:

(a)  Social empowerment relates to the self image girls and women have, and how they are seen by the rest of the family, in the community, the society at large. When girls and women (or for example lower cast groups) are seen as second class citizens, to change this is social empowerment.

(b) Economic empowerment deals with work and income and the decisions related to work: can a person decide her or himself which work to do, and can she or he decide about how the income and other benefits will be spent? In this world nearly everywhere it is found that women spend their income for the household and for the children, whilst men are more inclined to spend it for themselves first, and what is left is for the household.

(c) Political empowerment does not particularly relate to political parties, but rather to the right to organize one self, the right to participate in democratic institutions, but also in village development committees. In general it can be said that the more hierarchical a society is, the lower the position of girls and women.

(d) Physical aspects of empowerment are the right to decide about one’s own bodies, about one’s sexuality, the number of children and the spacing between them, and the right to physical dignity with regards to sanitation facilities available to women, especially. Also the right to safety and security, that means: not to be harassed or even raped when in need of a toilet during the night.

It is important to realize that these four sides to empowerment should not be seen as empowering if in isolation. Only if girls and women’s self-confidence is positive and they can avoid violence, for example, or if they can influence development efforts, can take part in decision-making, can they feel empowered. Groups and individuals, who are at the lower side of the hierarchy, empower themselves, if they are convinced, and if they are able. They can be helped by convincing them and by giving them instruments for change such as education and forming of all categories, not just those who need to be empowered, and high quality education which increases their opportunities. Improved laws and regulations can also mean support to a process of empowerment.

The post-2015 framework faces a dual challenge: first anchoring gender at the front and centre of the development agenda, and second, ensuring that a stand-alone goal and its targets promote inclusive and social transformations that address poverty and exclusion at its roots. The transformation of social norms is attracting policy and academic interest amid a growing recognition of girls and women’s role in hindering progress towards gender equality. Indeed, the Sustainable Development Goals distinctively demonstrates how transformative change and empowerment can be measured through existing data sources. The following outcome areas and the corresponding indicators represent a priority package for a goal on gender in a post-2015 framework:

  1. Women and girls exercise choice over their sexual and reproductive integrity
  2. Women and girls enjoy freedom from violence
  3. Women and girls enjoy enhanced decision-making ability over land and assets
  4. Women attain enhanced participation in political and civic life
  5. Equal value is given to girls and boys
  6. Unpaid care is equally distributed between women and men, girls and boys

In the development world, women transformational leadership has become a most popular term in respect to leaders and followers make each other to advance to a higher level of morality and motivation. Therefore, the global attention is to promote role model among women leaders from professionals and rural institutions with strength of their vision and personality.

DAM strategic plan (2015-2025) demonstrates a right pathway to inline with the global agendas (Post 2015 and Sustainable Development Goals). The strategic goals and change objectives, results and targets as well as the programmatic focus will facilitate girls and women’s empowerment interventions for deserving social transformation.

Rabeya Sultana
Director,
Training and Material Development Division and Skills Development Training Programme

SPRITUAL DEVELOPMENT

SPRITUAL শব্দটি SPRITE থেকে উদ্ভুত; যার মানে হলো আত্মা। SPRITUAL মানে আত্মিক বা আধ্যাত্মিক; আত্মাসম্পর্কিত, আত্মার সাথে যোগ আছে যার। DEVELOPMENT মানে উন্নতি তথা ইতিবাচক পরিবর্তন। SPRITUAL DEVELOPMENT অর্থ হলো মনোজাগতিক ইতিবাচক পরিবর্তন।

SPRITUAL DEVELOPMENT এর জন্য ধর্ম শিক্ষা ও নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব:
এপ্রসঙ্গে Stanley Hall বলেছেন- If you teach your children the three R's (of reading, writing & arithmetic) and leave the forth R (of religion), you will get a fifth R (of rasclity).  (সূত্র: ইসলাম প্রসঙ্গ, পৃষ্ঠা: ১০৩, ড. মুহাম্মাদ শহীদুল্ল¬াহ)।

SPRITUAL DEVELOPMENT এর জন্য শিক্ষা। শিক্ষা বলতে আমরা কি বুঝি?
আচরণে (কর্মে) অভীষ্ট ইতিবাচক পরিবর্তন ও উন্নয়ন সাধনের জন্য নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে তথ্য প্রদান বা জ্ঞান দান করাকে শিক্ষা বলে। খলীফা হযরত উমর (রাঃ) এর এক প্রশ্নের জবাবে হযরত উবায় ইবনে কাআব (রা.) বলেন- ‘ইলম হলো তিনটি বিষয়- আয়াতে মুহকামাহ (কুরআন), প্রতিষ্ঠিত সুন্নাত (হাদীস) ও ন্যয় বিধান (ফিকাহ)।’ (তিরমিযী)।


SPRITUAL DEVELOPMENT বা আত্মিক উন্নতির জন্য প্রয়োজন সদগুণাবলি অর্জন ও ষড়রিপু নিয়ন্ত্রণ।
মানুষ দোষে-গুণে সৃষ্টি। সাধারণত মানুষের মধ্যে ১০টি সদগুণ ও ১০টি বদগুণ বিদ্যমান থাকে। পরিভাষায় এগুলোকে রযাযিল (কুপ্রবৃত্তি) ও ফাযায়িল (সুকুমারবৃত্তি) বলা হয়। মানুষের উচিৎ বদগুণ বর্জন ও সদগুণ অর্জনের মাধ্যমে পূর্ণতা অর্জন করা। এছাড়াও কিছু উত্তম বৈশিষ্ট রযেছে যা অর্জন করা মানুষের জন্য বাঞ্ছণীয় ও প্রসংশনীয় এবং SPRITUAL DEVELOPMENT বা আত্মিক উন্নতির পথে সহায়ক।


SPRITUAL DEVELOPMENT সম্বন্ধে কুরআনের ভাষ্য:
হে আমাদের প্রভু! আপনি তাদের মাঝে পাঠান এমন রসূল, যিনি তাদের সীপে আপনার আয়াত উপস্থাপন করবে, কিতাব ও হেকমত শিক্ষা দিবে এবং তাদের পবিত্র করবে। নিশ্চয় আপনি পরাক্রমশালী ¯েœহশীল ও কৌশলী। (সূরা বাকারা, আয়াত: ১২৯)। অত:পর তাতে ঢেলে দিলেন অপরাধ প্রবনতা ও তাকওয়া। অবশ্যই সফল হলো সে যে তা পবিত্র করলো; আর বিপদগ্রস্ত হলো সে যে তা ছেড়ে দিল। (সূরা শামছ, আয়াত: ৮-১০)। নিশ্চয় যারা অকৃতজ্ঞ হোক সে কিতাবধারী ও অংশীবাদী, সে জাহান্নামের আগুনে চিরকাল দগ্ধ হবে; তারাই সৃষ্টির নিকৃষ্টতম। আর যারা বিশ্বাসী ও সৎকর্মপরায়ণ, তারাই সৃষ্টির সেরা। (সূরা বাইয়িনা, আয়াত: ৬-৭)।


SPRITUAL DEVELOPMENT সম্বন্ধে হাদীস শরীফের ভাষ্য:
হাদীছ শারীফে রছূলুল্লাহ সল্লাহু আলাইহি ওয়া ছাল্লাম বলেন- “জেনে রাখ, শরীরের মধ্যে একটি গোশতের টুকরা (মুদগাহ) আছে, তা যখন ঠিক হয়ে যায়, গোটা শরীর তখন ঠিক হয়ে যায়। আর তা যখন খারাপ হয়ে যায়, গোটা শরীর তখন খারাপ হয়ে যায়। জেনে রাখ, সে গোশতের টুকরাটি হল কলব।” বুখারী শরীফ, প্রথম খন্ড, পৃষ্ঠা: ৩৯ - ৪০, হাদীস নাম্বার - ৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, পঞ্চম সংস্করণ।


অর্জনীয় ও উত্তম বৈশিষ্টাবলী (The Virtues বা সদগুণাবলী):
সদগুণাবলীকে ইংরেজীতে বলে Virtues, এর একবচন হলো Virtue; যার অর্থ হলো সদগুণ। Virtueএর আরো অর্থ হলোঃ কৌমার্য, সতীত্ব, শক্তি, সত্য ও বাস্তব সম্মত। যেমন: Virtual অর্থ বাস্তব; Virtually অর্থ বাস্তবিক; Virtuality অর্থ বাস্তবতা। Virtues ২ প্রকার: (ক)The Cordial Virtues ও (খ)The Theological Virtues ।
(১)The Cordial Virtues অর্থ হলো মূখ্য সদগুণাবলী: Cordial Virtues ৪টি; যথা: (১) বিমৃষ্যকারিতা (ফলাফল চিন্তা করে কাজ করা), (২) তিতিক্ষা (ধৈর্য), (৩) মিতাচার (সংযম) ও (৪) ন্যায়-বুদ্ধি (সত্যজ্ঞান বা ধর্মজ্ঞান)।
(২)The Theological Virtues অর্থ হলো ধর্মীয় সদগুণাবলী: Theological Virtues ৩টি; যথা: (১) বিশ্বাস, (২) আশা ও (৩) সহৃদয়তা (ভালোবাসা)।
বর্জনীয় ও নিন্দনীয় বিষয় সমূহঃ যথা: ষড়রিপু বা কুপ্রবৃত্তিসমূহ: (১) কাম, (২) ক্রোধ, (৩) লোভ, (৪) মোহ, (৫) মদ, (৬) মাৎসর্য।


SPRITUAL DEVELOPMENT এর সাথে যেসকল বিষয় সরাসরি সম্পর্কিত: এর মধ্যে অন্যতম হলো- (১) সুশাসন, (২) ন্যয় বিচার, (৩) মানবাধিকার, (৪) দূর্নীতি দমন, (৫) অর্থনৈতিক উন্নয়ন, (৬) প্রবৃদ্ধি, (৭) সন্ত্রাস দমন, (৮) শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা।

01 February 2015, Dhaka Ahsania Mission
Mufti Mawlana Shaikh Muhammad Usman gonee
Phone: 01818 66 23 93; E-Mail: smusmangonee@gmail.com

Sustainable financing of quality education

Let’s start with portraying few green dots in the landscape!

  • Skills training of youths contribute to sustaining financing in education
  • Capacity building support to schools adds increased fund flow in its annual budget
  • Every citizen can join the travel of financing education to keep the wheels moving 

The parents’ choice is always quality education. Expected results from quality education are both Output (in terms of degree and grade) and Outcome (in the form of anticipated changes in knowledge, skills, attitude and values) which can be acquired through a learning process. For quality education, it is therefore important to emphasize on the education process, i.e., how learning takes place. To me the sustainability element of education remains here - ‘learning to learn’
Sustainability as illustrated in the DAM strategic plan (2015) is a situation of long-term sustainable results that bring changes in the life of target programme participants and other clientele groups. Along with the programmatic sustainability (in terms of process and output), equal emphasis is laid by DAM on sustainability of institutional management in terms of financial self-reliance, governance and succession plan within the organization.
If we analyze the issue of financing education from above viewpoints, the expenses for education are met from couple of sources. This includes parents, government, sponsors, philanthropists, donors, community, students, schools, etc. In most cases parents remain in the top of the list financer, though the mode and degree of financing vary. Generally the profile of the students’ family, particularly education and financial condition of the parents, become a determinant factor to decide the extent of financing for education of their children.
The next issue comes, which sources of financing have potentiality to sustain – continue longer term. We also have to quarry how and to what extent the fund flow can be continued from these sources. The potential sources are hereby charged to rouse.
Parents, guardian and/or bread earners in the family would require enhance their income base to meet required education expenses of their kids. Skills training can be a device extending support to them to diversify income and invest more in the education of the children.
The government, with its fundamental responsibility of providing basic education to all, needs to accumulate adequate resources from domestic sources. Tax like education cess may be a process which gradually increases the size of the education sector fund inflow. The pre-requisite for sustainable flow of fund to trickle down to the quality windows of education is the governance of the fund and judicious allocation.
Schools being the key institution for education necessitate build its asset base to sustain in shaping its education course design as per needs of the students and time. Developing endowment fund for the school through local resource mobilization, government, corporate grant or fee for services may be few ways to built asset base. Capacity building for fund raising and management may thus be an effective process for sustainability of the schools.
Students’ engagements for individual or group-based economic activities (job-work) become a regular feature in the world of education nowadays. It helps the students to become rational to their needs and to gain practical experience about the world of work, which remains a far away planet from the world of traditional education.
I would lay community as very important stakeholder to play critical roles in contributing or advocating for revenues for education, tracking good governance and also supplementing funds to ensure regular fund flow to the schools.
The philanthropists in Bangladesh have always played supportive roles in education through setting schools, offering scholarships, sponsorship, etc.
Institutional donors also plays significant roles in making available required fund through institutional grants in the forms of project support,. The education providers (government, NGO), schools, local government and community can tap and optimally utilize these funds.
Where the fund goes? The major heads of expenses in education budget include: teachers' pay, education materials, training, management cost, building and maintenance of facilities. All of these demand continuous flow of fund. Education budget is thus become an undivided whole, which cannot be split into pieces, but can be mutually shared. We thus need to develop a device where all can share the costs. The cake then can be enjoyed by all, as we do in the celebration events.

Dr. M. Ehsanur Rahman, 28 January 2015